🔴🔊Special Offer:💸 Gift $10 as many times as you like
blog

কিভাবে হ্যাকিং শিখবেন? হ্যাকিং কি? ফেইসবুক haçk করার কৌশল

হ্যাকিং বলতে বোঝায় কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক বা ডেটার নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ভেঙে প্রবেশ করা বা এটির নিয়ন্ত্রণ নেয়া। সাধারণত এটি দুটি উদ্দেশ্যে করা হয়—অবৈধভাবে তথ্য চুরি করা বা সিস্টেম ক্ষতি করা, এবং সিস্টেমের নিরাপত্তা দুর্বলতা পরীক্ষা করা।


হ্যাকিং এর বিভিন্ন প্রকার

হ্যাকিং বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, যা সাধারণত হ্যাকারদের উদ্দেশ্য অনুযায়ী ভাগ করা হয়:

1. ইথিক্যাল হ্যাকিং (Ethical Hacking):

ইথিক্যাল হ্যাকিং বৈধ এবং অনুমোদিত হ্যাকিং, যেখানে হ্যাকার (ইথিক্যাল হ্যাকার বা পেন-টেস্টার) কোনো প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিয়ে তাদের সিস্টেমের নিরাপত্তা দুর্বলতা খুঁজে বের করেন এবং সেগুলো মেরামত করার পরামর্শ দেন। একে পেনিট্রেশন টেস্টিং বা ভালনারেবিলিটি এসেসমেন্টও বলা হয়। ইথিক্যাল হ্যাকিংয়ের উদ্দেশ্য হলো নিরাপত্তা জোরদার করা।

2. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকিং (Black Hat Hacking):

এটি অবৈধ হ্যাকিং, যেখানে হ্যাকার (ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার) অনুমতি ছাড়া সিস্টেম বা ডেটায় প্রবেশ করে এবং প্রায়শই ক্ষতির উদ্দেশ্যে কাজ করে। এই ধরণের হ্যাকাররা সাধারণত ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করা, ক্ষতিকারক সফটওয়্যার (ম্যালওয়্যার) ইনস্টল করা এবং সিস্টেমের ক্ষতি করার জন্য কাজ করেন।

3. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকিং (White Hat Hacking):

ইথিক্যাল হ্যাকিংকে একে হোয়াইট হ্যাট হ্যাকিংও বলা হয়। হোয়াইট হ্যাট হ্যাকাররা সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য বৈধভাবে কাজ করেন এবং প্রায়শই কোম্পানি বা সংস্থার নিরাপত্তা প্রয়োজনীয়তার ওপর ভিত্তি করে তাদেরকে নিয়োগ করা হয়।



4. গ্রে হ্যাট হ্যাকিং (Grey Hat Hacking):

গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা কখনো কখনো বৈধভাবে এবং কখনো অবৈধভাবে হ্যাকিং করেন। তাদের উদ্দেশ্য ভালোও হতে পারে, আবার অবৈধও হতে পারে। তারা প্রায়শই নিজেদের সুবিধার জন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরীক্ষা করে থাকেন, কিন্তু সেই প্রতিষ্ঠানের অনুমতি ছাড়া।

5. স্ক্রিপ্ট কিডি (Script Kiddie):

এই শ্রেণীর হ্যাকারদের গভীর প্রযুক্তিগত জ্ঞান না থাকলেও অন্য হ্যাকারদের তৈরি করা স্ক্রিপ্ট বা কোড ব্যবহার করে হ্যাকিং করেন। সাধারণত তাদের উদ্দেশ্য মজা বা ছোটখাটো সিস্টেমে ক্ষতি করা।

6. হ্যাকটিভিস্ট (Hacktivist):

হ্যাকটিভিস্টরা কোনো রাজনৈতিক, সামাজিক বা আদর্শগত উদ্দেশ্য নিয়ে হ্যাকিং করেন। তাদের কাজ সাধারণত তথ্য ফাঁস করা বা কোনো ওয়েবসাইট বিকল করা।

হ্যাকিংয়ের কাজসমূহ

হ্যাকিংয়ে ব্যবহৃত বিভিন্ন কাজ ও কৌশল হলো:

ম্যালওয়্যার ইনস্টল করা: ক্ষতিকারক সফটওয়্যার সিস্টেমে ঢুকিয়ে তথ্য চুরি করা বা সিস্টেমকে অকার্যকর করা।

ফিশিং: ভুয়া ইমেইল বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করে তথ্য চুরি করা।

স্পাইওয়্যার ব্যবহার: গোপনভাবে তথ্য সংগ্রহের জন্য স্পাইওয়্যার ইনস্টল করা।

ব্রুট ফোর্স আক্রমণ: পাসওয়ার্ড অনুমান করে সিস্টেমে প্রবেশের চেষ্টা করা।

ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়াল অব সার্ভিস (DDoS): অনেকগুলো ভুয়া অনুরোধ পাঠিয়ে সার্ভার বন্ধ করে দেয়া।

ইথিক্যাল হ্যাকিং এবং অন্যান্য হ্যাকিংয়ের পার্থক্য

ইথিক্যাল হ্যাকিং বৈধ, এবং এর উদ্দেশ্য নিরাপত্তা জোরদার করা, যেখানে ব্ল্যাক হ্যাট বা গ্রে হ্যাট হ্যাকিংয়ের উদ্দেশ্য সাধারণত অবৈধ বা ক্ষতিকারক হয়ে থাকে।

Create Your Gig

Find the Best Freelances Jobs Service in Our Marketplace.

Start Now